মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

এশিয়ার বৃহত্তম চিনিকল হিসেবে পরিচিত দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোং (বাংলাদেশ) লিঃ

1805 সালে মিঃ জন ম্যাকসওয়েল নামক এক ইংরেজ তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ভারতের কানপুরে জাগমু নামক স্থানে তখনকার একমাত্র মদের কারকানাটি চালু করেছিলেন। অতঃপর বিভিন্ন সময়ে এর নাম, স্থান, মালিকানা, উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কর্মকান্ড পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত হতে থাকে। 1847 সালে মিঃ রবার্ট রাসেল অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ঐ প্রতিষ্ঠানটির সাথে যুক্ত হন এবং কালক্রমে তা ক্রয় করে নেন। উত্তর ভারতের “রোজা” তে অবস্থানকালিন 1857সালে সিপাহী বিপ্লবের সময় কারখানাটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। অতঃপর তা পূনঃনির্মাণ পূর্বক জয়েন্ট স্টক কোম্পানী গঠন করে “কেরু এ্যান্ড কোং লিঃ” হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয। “রোজা”তে ব্যবসার উন্নিতি লাভ করলে আসানসোল ওকাটনীতে এর শাখা প্রতিষ্ঠিত হয। 1938সনে প্রাথমিক ভাবে দৈনিক 1000টন আখ মাড়াই ও 18,000প্রূফ লিটার স্পিরিট তৈরির লক্ষ্যে আরও একটি শাখা তদানীন্তন নদীয়া জেলার অন্তর্গত এই দর্শনাতে স্থাপন করা হয়। 1965 সালের পাক ভারত যুদ্ধের পর এটি শত্রু সম্পত্তিতে পরিনত হয়। 1968 সালে কেরু এ্যান্ড কোং (পাকিস্তান) লিঃ নামে আত্ম-প্রকাশ করে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ করা হয় এবং তখন থেকে অন্যবিধি এটি কেরু এ্যান্ড কোং (বাংলাদেশ) লিঃ নামে বাংলাদেশ সুগার এ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের অধীন পরিচালিত হয়ে আসছে।

 

যোগাযোগঃ চুয়াডাঙ্গা জেলাধীন দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনাতে কেরু এ্যান্ড কোং সুগার মিলটি অবস্থিত। চুয়াডাঙ্গা-যশোর-খুলনা হাই রোডের পাশেই এই প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

 

1। একানে চিনির পামাপাশি বিভিন্ন প্রকার মদ উৎপাদন করা হয়।